আজ ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, শুক্রবার,২৭শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

দাগনভূঞায় ফিশারীতে ইচ্ছাকৃত বিষক্রিয়ার অভিযোগ মারা গেছে ৩ লক্ষ টাকার মাছ

Share

স্টাফ রিপোর্টার:

 

ফেনী জেলার দাগনভূঞার মাতুভূঞায় ৮নং ওয়ার্ডের মোমারিজপুর কাজী বাড়ির এক ফিশারীতে বিষ প্রয়োগে প্রায় ৩ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতির  অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়,কাজী বাড়ির কাজী দিন মোহাম্মদ মুন্না,কাজী জাহিদ,কাজী কাওসার এ তিনজন মিলে ৩টি পুকুরে নিজেদের এবং ঋণ নিয়ে পুকুর লিজ,মাছ চাষ,খাদ্য এবং অন্যান্য আনুষাঙ্গিক ব্যয়সহ প্রায় ৯ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন। তারা এসব ফিশারীতে বিভিন্ন ধরনের মাছ এবং পোনা ছাড়েন।

এ তিন মাছচাষী জানান,একই বাড়ির মৃত হাসেম মৌলভী এর ছেলে কাজী শহিদুল ইসলাম থেকে তার মালিকানা একটি পুকুর লিজ নেন।বারবার নিষেধ করার পরও পুকুরপাড়ে থাকা কড়ই গাছ কেটে তা ওই পুকুরের ফেলে রাখেন। তিনি নিষিধ উপেক্ষা করেই এ কাজ করেন।অভিযুক্ত শহীদ স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুর রব রবি এর কথাও তোয়াক্কা করেননি বলে জানান অভিযুক্তরা।তারা আরো জানান,শহিদ ইচ্ছা করেই এ কাজ করেছে যাতে গাছ পচে বিষক্রিয়ায় তাদের ফিশারীর সকল মাছ মারা যায়।

তবে এ ব্যাপারে দাগনভূঞা উপজেলা মৎস্য অফিসের ফিল্ড এসিস্ট্যান্ট মোঃ রিয়াজুর রহমান  জানান,কড়ই বা অন্য কাচা গাছ কেটে মাছ চাষের পুকুরের ফেলে রাখলে এ গাছের চামড়া ৭-১০ দিনে পচে তলায় বিষাক্ত এমোনিয়া গ্যাসের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। প্রথমে মাছ ভেসে খাবি খায় এবং কয়েকদিন পর  ক্ষতিকর এমোনিয়া গ্যাস বেড়ে দ্রবীভূত অক্সিজেন এর মাত্রা কমে গিয়ে একসাথে ছোট বড় সকল মাছই মরার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

সেখানে পানি পরীক্ষা করে ক্ষতিকর এমোনিয়া গ্যাসের উচ্চ মাত্রা পরিলক্ষিত হয়।যার জন্য ফিশারীর সব মাছ উক্ত বিষক্রিয়ায় মারা যায়।

ঘটনা জানার পরপরই স্থানীয় মেম্বার এবং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ আবদুল্লা আল মামুন ঘটনাস্থল সরজমিনে পরিদর্শন করেন এবং দোষীদের বিচার করা হবে বলে আশ্বাস দেন।

এত টাকার মাছ মারা যাওয়ার তরুণ এ উদ্যোক্তারা হতাশ এবং নিঃস্ব।

তারা এ ন্যাক্কারজনক  ঘটনার উপযুক্ত বিচার এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category